শুক্রবার, মে ২৪, ২০২৪
spot_img

মেয়ানমারে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১৭৩ বাংলাদেশি

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার পথে আটক মিয়ানমারের কারাগারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা শেষ করে ১৭৩ জন বাংলাদেশি বুধবার দুপুর ১টার দিকে বাংলাদেশী কর্ণফুলি জাহাজে কক্সবাজার নুনিয়াছড়া বিআইডাব্লিউটিএ ঘাঁটিতে এসে পৌঁছে। একে একে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে নৌ বাহিনী,  কোস্ট গার্ড ও পুলিশ। এর আগে মিয়ানমারের জাহাজ যোগে এদেরকে বাংলাদেশ জল সীমানায় এনে বেসরকারি এফবি কর্ণফুলি জাহাজে তুলে দেয়। বেলা ১ টা নাগাদ ঘাটে এসে ভিড়ে জাহাজটি।

পরিবারের সদস্যরা কখন ফিরবে সে আশায় সকাল থেকে কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ নৌ ঘাটের আশপাশে অবস্থান নেন স্বজনরা। স্বজনদের চোখের অসহায়ত্ব পেড়িয়ে কথা ফুটে মুখে। কেউ আসছেন সন্তানকে নিতে, কেউ আসছেন স্বামীকে আবার কেউনা নিতে ভাইকে।

প্রথমে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপর বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এদের মধ্যে ১৪৪ জনের সাজা ভোগ শেষ হয়েছে এবং অবশিষ্ট ২৯ জনের সাজার মেয়াদ এখনো থাকায় তারা বাংলাদেশ জেলে সাজা ভোগ করার কথা রয়েছে।

সকাল থেকে স্বজনরা নৌ ঘাটে অপেক্ষা করছে কখন ফিরবে তারা। এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে প্রত্যাবাসিত ১৭৩ বাংলাদেশি নাগরিক নিয়ে ‘চিন ডুইন’ নামক জাহাজ মিয়ানমারের রাখাইনের সিতোয়ে বন্দর ছাড়ে। মিয়ানমারের এই জাহাজটি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির ২৮৫ সদস্যকে নিয়ে দেশে ফিরে যাবে।

দেশে ফেরা ১৭৩ বাংলাদেশির মধ্যে ১২৯ জন কক্সবাজারের, ৩০ জন বান্দরবানের, সাত জন রাঙামাটির এবং একজন করে খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজবাড়ী, নরসিংদী ও নীলফামারী জেলার বাসিন্দা। মিয়ানমারে কারা ভোগ করে ফিরে এসে জানান, কারাগারে তাদের দূর্বিসহ স্মৃতির কথা।

মিয়ানমারের বিভিন্ন কারাগারে থাকা ১৪৪ বাংলাদেশি নাগরিকের কারাভোগের মেয়াদ আগেই পূর্ণ হয়। আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টায় মিয়ানমার সরকারের ২৯ জনের সাজা মওকুফ করে দেন।  তবে, এদেশে সাজা ভোগ করার শর্তে তাদের মুক্তি দেয়া হবে।

এভাবে অবৈধ পথে বিদেশে না যাওয়ার পরামর্শ দেন হুইফ সাইমুম সরওয়ার কমল ও কক্সবাজার পৌরসভা মেয়র  মাহবুবুর রহমান চৌধুরী।

আরো দেখুন
Advertisment
বিজ্ঞাপন

সবচেয়ে জনপ্রিয়