সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
spot_img

ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই: অখিল মেম্বার

সংবাদ সিক্সটিনঃ নারায়ণগঞ্জের“ সোনারগাঁয় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দৈনন্দিন ভর্তি রোগীদের বরাদ্দকৃত খাবার হরিলুট করার অভিযোগ” শিরোনামে আমার বিরুদ্ধে কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করেছেন দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার (সাবেক) অখিল মেম্বার।

তিনি বলেন, হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের যে মানের খাবার দেওয়ার কথা আমরা ঠিক সে মানের খাবার দিয়ে যাচ্ছি। রোগীদের জন্য সরকার কর্তৃক মাসে দৈনন্দিন তালিকায় যে মেনু রয়েছে তার বাইরে যাওয়ার কোন অবকাশ নেই। হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের সংখ্যা অনুযায়ী আমরা খাবার দেবো এটাই স্বাভাবিক। অযথা বেশি খাবার দিয়ে খাবার নষ্ট করাও আমাদের কোন অধিকার নেই।

প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়, রান্নার কাজে প্রতিদিন জ্বালানী কাঠ ব্যবহার করার কথা ৩ মণ।  সেখানে ব্যবহার হয় অবৈধ গ্যাস ও লাকরী। বরাদ্দকৃত টাকা পুরোটাই ঠিকাদারের পকেটে! এমন প্রশ্নে অখিল মেম্বার বলেন, হাসপাতালে যদি রোগী থাকে ২০ জন আমরা কি রান্নার কাছে ৩ মন লাকরী ব্যবহার করতে পারবো? এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক কথা বলেও দাবী করেন এই ঠিকাদার।

রোগীদের জন্য রান্নায় পিঁয়াজ, রসুন, আদা প্রতিদিন ২ হাজার টাকা ব্যবহার করার নিয়ম থাকলেও ব্যবহার করা হয় ৩শ’ টাকার মসলা। রান্নায় প্রতিদিন ৩ কেজি তেল দিয়ে রান্নায় খরচ হওয়ার কথা থাকলেও ব্যবহার করা হয় ১ কেজি! এমন প্রশ্নে অখিল মেম্বার বলেন, যেদিন যে পরিমান রোগী থাকে সেদিনের রান্নায় সে পরিমানই মসলা ও তেল ব্যবহার করা হবে এটাই নিয়ম।

অখিল মেম্বার বলেন,  দীর্ঘদিন ওএমএস খাদ্য ভান্ডারের ডিলার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছি। সরকারি খাদ্য ভান্ডার থেকে অসহায় গরিব মানুষের চাউল পাচার করার কোন প্রশ্নই আসেনা।  হাসপাতালের রোগীদের জন্য মেনু অনুযায়ী চাল সরবরাহ করে আসছি বলেই নিজ দায়িত্বে আজঅব্দী টিকে আছি।

ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য প্রতিদিন সকালে নাস্তায় দু’টি ডিম, দু’শ’ গ্রাম পাউরুটি, দু’টি কলা। অথচ দেয়া হয় ১টি ডিম, ১টি কলা ও ৫০ গ্রাম পাউরুটি। সপ্তাহে দু’দিন খাশির মাংস, মুরগী, রুই মাছ দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয় না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে অখিল মেম্বার বলেন, আমরা সকালের নাস্তার মেনু অনুযায়ী রোগীদের খাবার দিয়ে থাকি।

তিনি বলেন, সংবাদে বারবার উল্লেখ করা হয় খাবারের পরিমান কম দিয়ে থাকি! রোগী কম হলে খাবারতো কমই দিতে হবে। একজন ঠিকাদার হিসেবে প্রতিমাসে হাসপাতাল কতৃপক্ষের সাথে হিসেব-নিকাশ করেই বিল নিয়ে থাকি।

তিনি বলেন,  সাংবাদিকরা হচ্ছে জাতীর বিবেক, অথচ এমন ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে প্রফেশনাল সাংবাদিকদের মান ক্ষুন্ন করা হচ্ছে। মানুষকে হয়রানি না করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মাধ্যমে সত্য ঘটনা তুলে ধরবে এটাই হোক সাংবাদিকদের মূল লক্ষ্য। ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন অখিল মেম্বার।

আরো দেখুন
Advertisment
বিজ্ঞাপন

সবচেয়ে জনপ্রিয়