রবিবার, মে ১৯, ২০২৪
spot_img

তিতাসে ইউপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে ছাই

মোঃ সাকিব হোসেইন, (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার গভীর রাতে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বাবুল আহমেদ এর হরিপুর চকের বাড়িতে। তাৎক্ষণিক তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাশ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটি এম মোর্শেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ছাড়াও বাবুল চেয়ারম্যানকে শান্তনা দিতে এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরা পাশে দাঁড়ান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুইদিন আগেও এই অস্থায়ী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু পারেনি, আজ আবার কে বা কাহারা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা আমাদের জানা নেই। তবে উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে জহির হত্যার আসামি হওয়ার পর থেকে বাবুল চেয়ারম্যান কয়েক মাস যাবত এলাকার বাহিরে ছিলেন, মামলায় জামিন পাওয়ার পর কোন অনুষ্ঠান হলে মাঝেমধ্যে তিনি অংশ গ্রহণ করতেন।

গত ১১ অক্টোবর আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠানে বাবুল চেয়ারম্যান অংশগ্রহণ করতে আসলে এলাকার নারী পুরুষ তার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল বের করে। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আহমেদ বলেন, আমার মনে হয় আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় আমার বড় অপরাধ হয়েছে। কারণ গত কয়েক মাস পূর্বে মানিক কান্দি গ্রামে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের কথা শুনে এবং উপরস্থ দলিয় নেতাদের নির্দেশনায় মিমাংসা করার জন্য ওইখানে আমি গেলে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক দেখে আমি চলে আসি পরে শুনি সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে জহির মোল্লা খুন হয়। ওই মামলায় আমাকে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে জড়িয়েছে। তারপর আমি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে মাঝেমধ্যে জনগণের সেবা দিতে এলাকায় আসি।

গত বৃহস্পতিবার রাতেও আমার এই ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে অগ্নি সংযোগ করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু কি কারনে ব্যর্থ হয়েছে তা আমার জানা নাই। আজ আবার আমি ঢাকা থেকে শুনতে পাই আমার ওই কার্যালটিতে অগ্নিসংযোগ করে এবং ভিতরে থাকা সব মালামাল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে ছাই করে দিয়েছে। আমার এলাকায় আবু মোল্লার লোকজন ছাড়া অন্য কোন শত্রু নাই। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান, এখন আমি কিছু বলবো না সময় হলেই সব বলবো। তিতাস থানা অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়েছি, এখন লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো দেখুন
Advertisment
বিজ্ঞাপন

সবচেয়ে জনপ্রিয়