ঢাকারবিবার , ৩০ অক্টোবর ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলা-ধুলা
  6. গল্প কবিতা
  7. জাতীয়
  8. তথ্য প্রযুক্তি
  9. দুর্ঘটনা
  10. ধর্ম
  11. পরিবেশ
  12. ফিচার
  13. বিনোদন
  14. বিশেষ সংবাদ
  15. মতামত

মেঘনায় ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উৎসবে মেতেছে জেলেরা

সংবাদ১৬.কম
অক্টোবর ৩০, ২০২২ ১২:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সারাদেশে টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর পদ্মা ও মেঘনা নদীতে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। তাই উৎসবে মেতেছে জেলেরা, এতে হাসি ফুটেছে জেলেদের মুখে। ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ায় ঢাকা যাত্রাবাড়ী, কাপ্তান বাজার, কাওরান বাজার ও নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁয়ে মেঘনার তীরবর্তী বৈদ্যেরবাজার ঘাট মাছের আড়ৎগুলোতে উপচে পড়া ভির দেখা যাচ্ছে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের।

নিশেধাজ্ঞা কাটিয়ে পদ্মা মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দেখা মিলছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মাছের। শত শত নৌকা ও ট্রলার নিয়ে মাছ শিকার করতে নদীতে নেমেছে জেলেরা। প্রথম দিন থেকে অধিক পরিমান মাছ পাওয়ায় খুশিতে আত্মহারা জেলেরা। মাছ ধরা শুরু হওয়ায় বর্তমানে খুব ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। পাশাপাশি সরগরম হয়ে উঠেছে ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থনের মাছের আড়ৎ। ইলিশ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছেন চাঁদপুর, বরিশাল-ভোলা ও মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে। জেলেরা আশাপ্রকাশ করছেন কিছু দিনের মধ্যেই বিগত দিনের ক্ষতি পুশিয়ে নিতে পারবে।

সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীতে মাছ শিকারী জেলে কমল সাধু সংবাদ১৬.কম কে জানায়, আমরা সারা রাত জেগে নদীতে গিয়ে মাছ শিকার করি। প্রথম দিনেই যে পরিমান মাছ পেয়েছি তাতে ধার দেনা পরিশোধ করে কিছু দিনের মধ্যেই আমরা ঘুরে দাড়াতে পারব। এ বছর দেশের ইলিশের চাহিদা ও লক্ষমাত্রা পুরন হবে এবং ক্রেতারা স্বপ্ল মূল্যে ইলিশ কিনতে পারবে বলে আশা-প্রকাশ করছেন তিনি।

বৈদ্যেরবাজার ঘাটে মাছ ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, দীর্ঘদিন মাছ ধরা বন্ধ থাকায় মেঘনা নদীর প্রচুর ইলিশ মাছ এখন বাজারে আসছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজন মাছ কিনতে ছুটে আসছেন সোনারগাঁয়ের ঐতিহ্যবাহী বৈদ্যেরবাজার ঘাট এলাকায়। পাশাপাশি পাইকারি মাছ ব্যবসায়ীরা বৈদ্যেরবাজার ঘাট থেকে ইলিশ মাছ ক্রয় ক্ররে নিয়ে যাচ্ছে অন্যত্র বিক্রির জন্য। মাছ ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, কেজি হিসেবে ইলিশ মাছ ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। আগের তুলনায় মাছের মুল্যও অনেকটা কম।

সোনারগাঁ উপজেলা মৎস কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার জানান, দীর্ঘদিন মেঘনা নদীতে ইলিশ ধরা বন্ধ ছিলো। সে সময় প্রত্যেক জেলে পরিবারকে আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহযোগীতা করেছি। পূনরায় তারা ইলিশ ধরা শুরু করেছে। আশা করছি জেলেরা লোকসানে পরলেও সেটা এখন পুষিয়ে উঠতে পারবে।