ঢাকামঙ্গলবার , ১৫ নভেম্বর ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলা-ধুলা
  6. গল্প কবিতা
  7. জাতীয়
  8. তথ্য প্রযুক্তি
  9. দুর্ঘটনা
  10. ধর্ম
  11. পরিবেশ
  12. ফিচার
  13. বিনোদন
  14. বিশেষ সংবাদ
  15. মতামত

নবীনগরে দুস্থ ও অসহায়দের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

সংবাদ১৬.কম
নভেম্বর ১৫, ২০২২ ৯:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মমিনুল হক রুবেল, নবীনগরঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের খাগাতুয়া গ্রামের দুস্থ ও অসহায় নারীদের ভিজিডি কার্ডের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় খাগাতুয়া গ্রামের ফুল মিয়ার মেয়ে জুমা আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফা মারুফ উপজেলার ২১নং রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে দুই বছর মেয়াদে ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) উপকারভোগীদের মধ্যে ৩০ কেজি করে চাল দেয় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ কর্মসূচি গ্রামীণ দুস্থ নারীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বাস্তবায়িত একটি অন্যতম সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম। যা সম্পূর্ণরূপে দুস্থ পরিবার বিশেষত নারীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে। যার মাধ্যমে ভিজিডি কার্ডধারী উপকারভোগী নারীদের প্রতি মাসে ৩০ কেজি প্যাকেটজাত খাদ্য (চাল) সহায়তা দেওয়া হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এই চাল প্রদান শুরু হয়। কিন্তু ২ জন নারীর নামে কার্ড থাকলেও ইউপি চেয়ারম্যান ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ৩০ কেজি করে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

ভূক্তভোগী জুমা আক্তার বলেন, আমি চেয়ারম্যান মহোদয়কে অনেকবার অনুরোধ করেছি, চাল না দিলে আমার পরিবারের মানুষ অনাহারে অর্ধাহারে দিন যাপন করে । কিন্তু তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে আর চাল দিবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। আমার মত আরো অনেকেরই চাল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা মারুফ তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,খাগাতুয়া গ্রামে একটি হত্যা কে কেন্দ্র করে তারা গ্রামে বসবাস করেন না। ওদেরকে না পেয়ে দুই মাস চালগুলো পরিষদে রাখা হয়েছিল। কিন্তু একপর্যায়ে চাল গুলো নষ্ট হয়ে যায়। অনেক খোঁজ খবর নিয়ে তাদেরকে না পেয়ে অন্য অসহায়দের মাঝে চালগুলো বিতরণ করা হয়। যদি তারা এলাকায় এসে থাকেন, তাহলে তাদের চালগুলো তারা পাবেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল ছিদ্দিক বলেন, অভিযোগটি পাওয়ার পর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।